Recent Posts

Pages: 1 ... 8 9 [10]
91
Insulting comment 23: Muhammad gave orders to kill Asma binte Marwan for ridiculing him. Even today Muslims demand death for ridiculing Muhammad. Can the honor of a person, however great he may be, be greater than someone's life?
 
Jaw-crushing answer: You see, Muhammad was not simply a great man. He was the Rahmatullil al-Amin (Mercy to the believers). Had he not been created, there would not have been the heaven and earth, the planets and the stars, the moon and the sun, the animal kingdom – nothing. It is said that humans were created because of Muhammad. Therefore, ridiculing him is never acceptable.
 
Insulting comment 24: If humans came to this world because of Muhammad, then Muhammad came because of whom?
 
Jaw-crushing answer: See, before Muhammad, entire humanity was sunk in the 'darkness of ignorance'. Had he not come, humankind would still be sunk in barbarism. Muhammad came solely to save mankind. Therefore, it can be said that Muhammad was sent for humanity.
 
92
Insulting comment 21: Islam is claimed to be 'the best and the complete way of life'. Does that mean that slavery is valid for eternity?
 
Jaw-crushing answer: See, Islam is a humane religion. Slavery was not forbidden because of the situation of that time. But there scope for 'qiyas and ijma' (consensus and reconsideration) in Islam. That means any custom can be abolished.
 
Insulting comment 22: Why then Muslims are not agreeing to equal inheritance for girls through 'qiyas and ijma'.
 
Jaw-crushing answer: See, Islam is a 'perfect and complete way of life'. Its 'codes of life' has been formulated for the overall welfare of humanity. Islam has basically given women the highest honor. But you want to abolish the laws of Allah for the sake of inconsequential earthly benefits. This is not acceptable.
93
হয়রান ভাই এই লেখাটা পড়ে যা করেছিলেন মনে পড়লে হাসি পায় এখনও। নিয়মিত চালান না কেন?
94
কেমনে হইবেন ডিজিটাল (টালমাটাল) পীর

ডিজিটাল (টালমাটাল) পীর হইতে হইলে প্রথমেই একটি ব্লগ খুঁজে নিন যেখানে বাংলা ভাষায় ইচ্ছেমতন লেখা যায়, যেখানের অধিকাংশ ব্লগার খাতা কলমে মুসলিম (থার্টিফাস্টে মদের বোতল, বৈশাখে পান্তা-ইলিশ, বোগলে গার্লফ্রেন্ড, শুধু শুক্রবারে জুম্মা পড়ে মুসলমানিত্বের পরকাষ্ঠা দেখানো মুসলিম, আরবী অক্ষর দেখলেই এদের ঈমান দাঁড়িয়ে যায়, সেটাতে আসলে কি লেখা বুঝবার ক্ষমতাটুকু নেই)। স্যাম্পল, সামহ্যয়ারইন ব্লগ।

এবারে একটা খাঁটি আরবী নাম খুলে বসুন, যেমন আল্লামা হয়রান, মুফতি ক্লান্ত ব্রাকেটে গরুর ডাক্তার, সম্ভব হলে নামের মধ্যে "মুসলিম" শব্দটা রেজিষ্টার করে ফেলুন (ইংরেজী অক্ষরে হলেও চলবে)।

এবারে আপনার মুরিদ হিসেবে ধামা ধরার জন্য কিছু নিক খুলে ফেলুন, যেসব নিক থেকে আপনি সর্বদাই আপনার "গ্যয়ানগব্ব" টাইপ থিসিসে "অত্যন্ত সুন্দর লিখেছেন", "নিশ্চয়ই আল্লাহ মহান" "সত্যের জয় হবেই" "আপনি থামবেন না, লিখে যান" ইত্যাদী টেমপ্লেট কপিপেষ্ট কমেন্ট দিবেন এবং মানুষ ভাববে আপনি একজন উন্নত মানের গোবেষক, নেহাৎই ভাগ্য দোষে কিম্বা বিবর্তনবাদী বান্দরের বাচ্চাদের ষড়যন্ত্রের কারণে নোবেলটা জুটছে না।

এবারে কিছু "গ্যয়ানগব্ব" টাইপ থিসিস লিখে ফেলুন। কষ্ট করার কোনো দরকার নেই, "পুরুষের চার বৌ হলে রোগ প্রতিরোধ ঘটে আর মেয়ের একের বেশী স্বামী থাকলে এইডস-সিফিলিস-গনোরিয়া নিশ্চিৎ" অথবা "বাবা আদম হাতে করে একটি ডালিম গাছ এনেছিলেন, তাই বিবর্তন মিথ্যা", স্টিফেন হকিং একটা মানুষ মাত্র তার উপরে সে মুস্লিম নয়, (অর্থাৎ তার অন্তরে মোহর মারা আছে) তাই তার কথা কখনো কোরানের আয়াতের চাইতে বেশি সঠিক হতে পারে না। অথবা "ইসলামি রাজনীতি না করলে বেহেস্ত লাভ হবে না, দেশে একামত্র জামাতই খাঁটি ইসলামী দল" অথবা "মোল্লা সাহেব ভালো যাই করেন সব আল্লাহর ইচ্ছায়, কেবল নাবালিকা ধর্ষন করেছেন শয়তানের ধোকায়, তাই মোল্লা সাব নিশ্পাপ, ইহা ছহি এছলাম নহে এবং শয়তানের নামে মামলা ঠোকা হোক" অথবা "আসলে মোল্লা সাব ভালু লোক, পাঁচ বচ্ছরের মাইয়াটাই তারে ধর্ষক হইতে উস্কানি দিছে, পাঁচ বছরের ঐ মাইয়াটা যৌনবিকৃতিতে আক্রান্ত এবং সন্দেহাতীত ভাবেই ইহা য়্যাহুদি-নাছারার ষড়যন্ত্র"

যেকোনো বিরুদ্ধ যুক্তির সহজ উত্তর আছে। মন দিয়ে কোরান পড়তে বলবেন। পড়তে পড়তে একদিন বেকুবেরা বুড়ো হয়ে মারা যাবে। সেদিন পারলে তার কবরে একটা কোরান গিফট করতে পারেন। কেয়ামত অবধি কবরের মধ্যে অপেক্ষা করার সময় একটু পড়াশুনা করে নিতে পারবে।

এমন আরো অনেক কিছুই আছে, সব দিতে গেলে পোস্ট লম্বা হবে।, কেউ পড়বে না। না পড়ে কমেন্ট ভাল্লাগেনা বলেই অল্প লিখে ছেড়ে দিলাম।
95
কটূক্তি ৭৫ – জীবন-যাপনের প্রতিটি উপাদান মানুষ নিজ যোগ্যতা বলে অর্জন করে। অথচ বিশ্বাসীরা সব কিছুর জন্য স্রষ্টাকে কৃতজ্ঞতা জানায় কেন? স্রষ্টার দৃশ্যমান ভূমিকা কী?

দাঁত ভাঙা জবাবঃ দেখুন মানুষের অর্জনগুলো আদতে স্রষ্টারই অবদান। প্রকৃতিতে যা কিছু পাওয়া যায় সব স্রষ্টার দান। আর এসব কাজে লাগানোর জ্ঞানও স্রষ্টা দিয়েছেন। তাই সব কিছুর কৃতিত্ব মূলত স্রষ্টার।

কটূক্তি ৭৬ – মানুষের সকল অর্জনের কৃতিত্ব স্রষ্টার হলে ব্যর্থতার দায় কেন স্রষ্টার নয়? কেন বিশ্বাসীরা স্রষ্টার নিন্দা না করে মানুষকে দায়ী করে?

দাঁত ভাঙা জবাবঃ দেখুন প্রচেষ্টা যখন মানুষের ব্যর্থতার দায়ভারও মানুষেরই। স্রষ্টা মানুষকে জ্ঞানবুদ্ধি দিয়েছেন তা সঠিক ভাবে কাজে লাগাতে না পারলে স্রষ্টার দোষ কী?
96
ইহুদীর ধর্মে বলা আছে - চোখের বদলে চোখ। তাদের উপর রকেট হামলা চালিয়ে তার বদলে মানবতা আশা করে মুসলিমজাতি।
 
 তবে ইরাক, সিরিয়া, আফগানিস্তান, সোমালিয়া বা অন্য কোনোখানেই মুসলমানের কাছে কেউ মানবতা আশা করে না।

23 July 2014
97
মুসলিম জঙ্গীর সঙ্গে কমিউনিস্টের ব্যাপক মিল লক্ষ্য করা যায়। পৃথিবীতে এত মুসলিম দেশ থাকতেও কখনো দেখা যায়নি যে বিধর্মী কাফেরের দেশ ত্যাগ করে মুসলমানেরা তাদের স্বপ্নের দেশে চলে গেছে। বরং সেইসব পরম শান্তির দেশ থেকে দলে দলে মুসলমান লাইন দিয়ে থাকে কাফেরের দেশে ভিসা পাওয়ার জন্য। যারা জন্মসূত্রেই কাফের দেশের নাগরিক তাদের ত কথাই নেই। লাথি মেরেও তাড়ানো যাবে না।
 কমিউনিস্ট ঠিক একই ধর্মের। তারা ঠিক ইসলামী জঙ্গীদের মতই যেখানেই ক্ষমতা হাতে পেয়েছে সেখানেই গণহত্যা চালিয়ে সব রকমের সমালোচনা শেষ করে দিয়েছে। কিন্তু এর পরেও আজ পর্যন্ত কোথাও তারা উন্নতি করে দেখাতে পারেনি। নিজেদের ব্যর্থতা চেপে রাখার জন্য সেন্সরশিপের মাধ্যমে সত্য গোপন করতেও তারা ওস্তাদ। নিজেদের দেশে সমালোচনা করলেই যারা খুন করে ফেলে তারাই আবার গণতান্ত্রিক দেশে বসে বসে গণতন্ত্রের গুষ্টি উদ্ধার করবে। দুনিয়ার সব ধরণের ব্যবস্থাকেই তারা ফালতু প্রমাণ করে দিতে পারে কেবল কমিউনিস্ট দেশের মাটিতে ঢুকে কমিউনিজমের একটা কিছু নিয়ে প্রশ্ন করলেই যে মুন্ডুটি হারাতে হবে সে ব্যাপারে কোনো সমালোচনা এদের মুখে শোনা যায় না। ইসলামী জঙ্গীদের মতই তাদেরও যুক্তিপ্রমাণের প্রয়োজন হয় না। সমালোচকের মুন্ডু কেটে নিতে পারলেই তাদের বক্তব্য সত্যি হয়ে যাবে বলে তাদের অন্ধ বিশ্বাস।
 
 এইসব কট্টর বিরোধীদের সমান অধিকার দিয়ে রেখেও পৃথিবীর সমস্ত দেশই উন্নতিই করছে। কিন্তু অন্যদিকে কমিউনিস্ট দেশের মাটিতে একটা সমালোচক পর্যন্ত বেঁচে না থাকলেও সে দেশগুলো টিকে থাকতে পারে না। এমন একটা কাল্পনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা
কে এরা শ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা বলে দাবী করে, ঠিক মুসলিম জঙ্গীদের মতই। আর মুসলিম জঙ্গীদের মতই কাল্পনিক স্বর্গীয় ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার নামে লুটপাট চালিয়ে খেতে এরা খুবই অভ্যস্ত।
 
 কমিউনিস্ট এবং জঙ্গী মুসলিম, দুইয়েরই মূল ভিত্তি হল এক অবাস্তব তত্ব। যে তত্বকে সত্যি প্রমাণ করার একমাত্র উপায় হল প্রতিপক্ষের মাথাটি কেটে নেওয়া। এই কারণেই এই দুই আপাত বিরোধী দলের মধ্যে কাজকর্মে প্রচন্ড মিল দেখা যায়। ইসলামী দেশগুলোতে কমিউনিজমের কোনো গন্ধ না পাওয়া গেলেও কমিউনিস্ট সরকার মাত্রেই ইসলামী জঙ্গীদের সমর্থক। পাকিস্তানের উপর আক্রমণের সম্ভাবনা দেখলে সবার আগে চীনের গদী টলে ওঠে। ফিলিস্তিনে জঙ্গীদের উপর আক্রমণ হতে দেখলে রাশিয়া লাফালাফি শুরু করে দেয়। কিন্তু মুসলিম জঙ্গীদের হাতে যতবড় খুনোখুনিই হোক না কেন এরা কিছুতেই সে সম্পর্কে মুখ খোলে না।
 
 কমিউনিস্টদের এত বেশি মুসলিম প্রীতির আরেকটা কারণ হল কমিউনিস্টের রাজনীতি প্রায় মুসলিমের ধর্মের মতই। মুসলমান যেমন রাষ্ট্রের সমস্ত স্তরেই শুধুমাত্র মুসলমান দেখতে চায় তেমনই কমিউনিস্ট চায় রাষ্ট্রের সমস্ত ব্যবস্থার মধ্যে পার্টির লোক ঢুকিয়ে রাখতে। অর্থাৎ প্রেসিডেন্ট থেকে ঝাড়ুদার অবধি সকলেই হতে হবে পার্টির লোক। নিরপেক্ষতা জিনিসটা মুসলমান এবং কমিউনিস্ট দুজনের কাছেই হারাম।
 
 এই দুই কাল্পনিক ব্যবস্থার দালালেরাই নিজেদের সেরা সিস্টেম হিসাবে দেখার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু আজ অবধি মানুষকে মানুষ করে তোলার ব্যাপারে এই দুটি ব্যবস্থাই একেবারে নিচের তলায় রয়ে গেছে। এইসব প্র্যাক্টিক্যাল
ি হ্যাভ-নটস দের সেরা হবার একটাই পথ, তা হল অন্য সব ব্যবস্থা গুলোকে নষ্ট করে দেওয়া। আর এই কাজে মুসলিম জঙ্গীর মত পেয়াদা আর কোথাও পাওয়া যায় না। তাই মুসলিম জঙ্গীরা যখনই কোনো উন্নত দেশের ক্ষতি করতে গিয়ে মারা পড়ে তখনই কমিউনিস্টের চোখে বান ডেকে যায়। এই মুসলিমরাই আবার নিজেদের মধ্যে মারামারি করলে কিম্বা কমিউনিস্টদের হাতে মারা পড়লে সেই মানবতার 'মা'কে খুঁজে পাওয়া যায় না।

22 July 2014
98
মুসলিমজাতি নানা ভাগে বিভক্ত।  কারো সাথে কারো মত মেলে না। কিন্তু মতে না মিললে কল্লা কাটিতে হইবে, এই ব্যাপারে সকলেই একমত।
22 July 2014
99
যদি চুল দিলে না টাকে
 কেন সেলুন এত বানিয়ে দিলে
 পথের বাঁকে বাঁকে !!

 
 www.youtube.com/watch?v=3QDD_APy-Vk
2 July 2014
100
মহম্মদ নিজেই আল্লার উপর ভরসা রাখত না।

 ১) কুরানে পরিষ্কার লেখা আছে যে আল্লার মরজি ছাড়া কারো মৃত্যু হয় না। নবী ইব্রাহিম তার জলজ্যান্ত উদাহরণ। তাকে আগুনে ফেলে দেওয়ার পরেও নাকি কিছুই হয়নি। রাতের অন্ধকারে গুন্ডা পাঠিয়ে আবু রফি কে খুন করানোর পর মহম্মদের প্রথম বক্তব্য ছিল "Allah had killed Abu Rafi" এই কথার উপর যদি ভরসা থাকত তবে মহম্মদ কেন মক্কা ছেড়ে পালাবে?

 ২) মহম্মদের জন্মের আগে থেকেই ভারতীয় ক্ষত্রিয়রা যে যুদ্ধনীতি মেনে চলত তার প্রধান নিয়ম ছিল অতর্কিত হামলা অন্যায়। আত্মসমর্পণকারী শত্রুকে হত্যা করা চলবে না। নিরস্ত্র শত্রুর উপর অস্ত্র ব্যবহার চলবে না ইত্যাদি ইত্যাদি। তাদের সঙ্গে আল্লাও ছিল না ফেরেস্তাও ছিল না। তবুও তারা চোরের মতন আক্রমণ করাকে ছোটোলোকের কাজ বলেই মনে করত। অন্যদিকে মুহম্মদের জিহাদের প্রধাণ অস্ত্র ছিল অতর্কিত হামলা। যে লোকে দাবী করে তার সঙ্গে আল্লা আছে, ফেরেস্তা আছে, সেই লোক কেন চোরের মত হামলা করবে? কেন তাকে ঘুমন্ত শত্রুকে খুন করানোর জন্য লোক পাঠাতে হবে? আল্লার হুকুমে যুদ্ধ করতে গেলে তো এমনটা করার কোনো অর্থই হয় না।

22 June 2014
Pages: 1 ... 8 9 [10]